
এই প্যাকের মূল শক্তি। হাজার বছর ধরে আয়ুর্বেদিক সৌন্দর্যচর্চায় ব্যবহৃত চন্দন ত্বককে তাৎক্ষণিক শীতল ও প্রশান্তি দেয়। প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে ত্বকের ছোট ছোট দাগ হালকা করে এবং tone সমান করে। চন্দনের মনোমুগ্ধকর সুগন্ধ মনকেও সতেজ রাখে।
ত্বকের অতিরিক্ত তেল ও সিবাম শোষণ করে ছিদ্র গভীর থেকে পরিষ্কার করে। ব্ল্যাকহেড ও হোয়াইটহেড দূর করে ছিদ্র সংকুচিত করে। ত্বককে সারাদিন ম্যাট ও তেলমুক্ত রাখে।
জাপানি সৌন্দর্যচর্চার শতাব্দী পুরনো উপাদান। হালকা প্রাকৃতিক exfoliant হিসেবে মৃত ত্বক কোষ আলতো করে তুলে দেয়। ত্বক মসৃণ ও উজ্জ্বল করে। প্যাকের texture সুন্দর রাখে।
একটি পরিষ্কার বাটিতে ১-২ চামচ পাউডার নিন।
অল্প অল্প করে ঠান্ডা পানি বা গোলাপজল মিশিয়ে মসৃণ পেস্ট তৈরি করুন।
মুখ ভালো করে ধুয়ে চোখ বাদে পুরো মুখে সমানভাবে লাগান।
১৫-২০ মিনিট রেখে দিন।
হালকা ঠান্ডা পানি দিয়ে সার্কুলার মোশনে আলতো করে ধুয়ে ফেলুন।
মুখ মুছে হালকা ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন।




স্বাভাবিক ও তৈলাক্ত ত্বকের জন্য সেরা। শুষ্ক ত্বকে সপ্তাহে ১ বার ব্যবহার করুন এবং পরে অবশ্যই ময়েশ্চারাইজার দিন।
এই pack টি মূলত cooling, brightening ও pore cleansing এর জন্য। ব্রণের জন্য আমাদের নিম ও মধু ফেস প্যাক ব্যবহার করুন।
হ্যাঁ, গরমকালে বিশেষভাবে কার্যকর। চন্দন ত্বককে তাৎক্ষণিক শীতল করে।
প্রথম ব্যবহারেই ত্বক শীতল ও মসৃণ লাগবে। ১-২ সপ্তাহে তেলতেলে ভাব কমবে এবং ত্বক উজ্জ্বল হতে শুরু করবে।
হ্যাঁ, সম্পূর্ণ ১০০% প্রাকৃতিক। মাত্র ৩টি বিশুদ্ধ উপাদান — চন্দন, মুলতানি মাটি ও চালের গুঁড়া।
প্রতিবার ২-৩ গ্রাম ব্যবহার করলে ৩০-৪০ বার ব্যবহার করা যাবে। সপ্তাহে ২ বার করলে ৪-৫ মাস চলবে।