


এই প্যাকের মূল উপাদান। ত্বকের অতিরিক্ত তেল ও সিবাম শোষণ করে, ছিদ্র সংকুচিত করে এবং ব্ল্যাকহেড ও হোয়াইটহেড দূর করে। ত্বককে ম্যাট ও তেলমুক্ত রাখে।
শক্তিশালী অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদান। ব্রণ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে, ত্বকের ইনফেকশন প্রতিরোধ করে।
প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিক। ত্বকের প্রদাহ ও লালচে ভাব কমায়, ত্বককে সুস্থ ও উজ্জ্বল রাখে।
ত্বককে ঠান্ডা ও প্রশান্তি দেয়। ব্রণের দাগ হালকা করে, ত্বকে সুগন্ধ আনে এবং টোন সমান করে।
প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। ত্বককে কোমল করে, রং উজ্জ্বল করে এবং মনোমুগ্ধকর সুবাস দেয়।
কারকিউমিনের অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি গুণে ত্বকের প্রদাহ কমায়, ব্রণের দাগ হালকা করে ও ত্বকে প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা আনে।
একটি পরিষ্কার বাটিতে ১-২ চামচ পাউডার নিন।
অল্প অল্প করে পানি বা গোলাপজল মিশিয়ে মসৃণ পেস্ট তৈরি করুন। ঘন দই এর মতো
মুখ ভালো করে ধুয়ে নিন। ভেজা মুখে চোখ বাদে পুরো মুখে সমানভাবে লাগান।
১৫-২০ মিনিট রেখে দিন। প্যাক শুকিয়ে টান অনুভব হবে — এটা স্বাভাবিক।
হালকা গরম পানি দিয়ে সার্কুলার মোশনে আলতো করে ধুয়ে ফেলুন। ঘষবেন না।
মুখ মুছে হালকা ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন। ব্যবহারের ফ্রিকোয়েন্সি: সপ্তাহে ২-৩ বার।



তৈলাক্ত ও কম্বিনেশন ত্বকের জন্য সেরা। শুষ্ক ত্বকে সপ্তাহে ১ বার ব্যবহার করুন এবং পরে অবশ্যই ময়েশ্চারাইজার দিন। সংবেদনশীল ত্বকে প্রথমে Patch test করুন।
প্রথম ব্যবহারেই ত্বক পরিষ্কার ও মসৃণ অনুভব হবে। ১-২ সপ্তাহে তেলতেলে ভাব কমবে। ১ মাস নিয়মিত ব্যবহারে ব্রণ ও দাগ কমা দৃশ্যমান হবে।
হ্যাঁ, সম্পূর্ণ ১০০% প্রাকৃতিক। কোনো SLS, প্যারাবেন, কৃত্রিম রং বা সুগন্ধি নেই।
অবশ্যই। পুরুষ ও মহিলা উভয়ের ত্বকে সমানভাবে কার্যকর।
প্রতিবার ২-৩ গ্রাম ব্যবহার করলে ১০০ গ্রাম প্যাক থেকে ৩০-৪০ বার ব্যবহার করা যাবে। সপ্তাহে ২ বার করলে প্রায় ৪-৫ মাস চলবে।
হ্যাঁ। নিম ও তুলসীর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ ব্রণ কমাতে সাহায্য করে। তবে সক্রিয় বড় ব্রণে সরাসরি চাপ দেবেন না।
মুলতানি মাটি তেল শোষণ করে বলে অতিরিক্ত ব্যবহারে ত্বক শুষ্ক হতে পারে। তাই সপ্তাহে ২-৩ বারের বেশি ব্যবহার করবেন না এবং পরে ময়েশ্চারাইজার দিন।